
রাকিবুল ইসলাম রাজন, বরগুনা:
বরিশাল কোতোয়ালি থানার চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ এবং ধর্ষণ-পরবর্তী আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলার প্রধান পলাতক আসামি তুষার বাপ্পীকে (১৯) গ্রেফতার করেছে র্যাব। শনিবার (২৫ অক্টোবর ২০২৫) বরগুনা জেলার বেতাগী থানা এলাকা থেকে যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র্যাব-৪, সিপিসি-৩-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে। এদিন আনুমানিক দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে বরগুনার বেতাগী থানাধীন কাহেলঘাটা সাকিনস্থ জব্বার শিকদারের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তা থেকে অভিযুক্ত তুষার বাপ্পীকে (পিতা-বশির হাওলাদার, সাং-প্যাক প্যাক গলি, নবগ্রাম রোড, বরিশাল) গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, মামলার ভুক্তভোগী আরীফা জাহান সানজিদা (১৫) মামলার বাদী সামশুল ইসলামের মেয়ে। অভিযুক্ত তুষার বাপ্পী ভিকটিম সানজিদার সাথে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করে এবং একপর্যায়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, সানজিদা বিয়ের জন্য চাপ দিলে অভিযুক্ত তুষার এবং তার পরিবার নানা টালবাহানা শুরু করে। এসময় তারা সানজিদার পিতার কাছে যৌতুক হিসেবে ১০ লাখ টাকা ও একটি মোটরসাইকেল দাবি করে, যা তার পিতার সামর্থ্যের বাইরে ছিল।বিয়ের ব্যবস্থা করতে অভিযুক্ত ব্যর্থ হলে এবং ভিকটিমকে মৃত্যুর পথ ছাড়া উপায় নেই বললেও অভিযুক্ত তুষার তাকে বিয়ে না করে উল্টো মৃত্যুর প্ররোচনা দেয়। ফলস্বরূপ, গত ১৪ আগস্ট ২০২৫ তারিখে রাত আনুমানিক ০৯টা ১৫ মিনিটে ভিকটিম গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
র্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বরগুনা জেলার বেতাগী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে






