বরগুনায় জোরপূর্বক প্রবাসী নারীর জমিতে বীজ রোপন

হাফিজুর রহমান, বরগুনাঃ

বরগুনা সদর উপজেলার ৯ নং এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ছোট তালতলী গ্রামের সুইজারল্যান্ড প্রবাসী শারমিন জাহানের জমিতে জোরপূর্বক ধানের বীজ রোপন করেছেন প্রতিবেশী দুর্বৃত্তরা। শারমিন জাহান প্রবাসে থাকার কারণে দুর্বৃত্তরা সেই সুযোগ ব্যবহার করে জোরপূর্বক ধানের বীজ রোপন করে। শারমিন জাহান খবর পেয়ে মুঠোফোনে তাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করতে পারেননি। প্রবাসীর জমিতে জোরপূর্বক ধানের বীজ রোপণ করেছেন মোঃ মন্নান খা, মোঃ নান্না খা, মোঃ মোসলেম খা, মোঃ মোস্তফা খা পিং মৃতঃ ধলু খা,গ্রামঃ ছোটো তালতলী, মোঃ ইসমাইল খা পিং আরব আলী খা, মোঃ কালাম, পিতাঃ আনিস খা, মোঃ ছগীর পিং মৃত আবদুর রশিদ, মিরাজ’রা জমি চাষ করছে এবং ওদের প্ররোচনায় জমি রোপন করছে। এ সমস্ত লোক গত বছর জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করেছিল। তার প্রেক্ষাপটে শারমিন জাহান বরগুনা সদর থানায় একটি অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগের উপর ভিত্তি করে কতিপয় লোককে সালিশ মেনে দেওয়া হয়েছিল।সালিশদাররা হলেন, আঃবারেক, কনু মুন্সি, খালেক মাস্টার, মোখলেছ কাজী এবং ইউপি সদস্য এমদাদুল হক মিলন।

শালিসদারদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আমরা সকল সালিশগণ সার্ভেয়ারদেরকে সাথে নিয়ে দলিলপত্র সঠিকভাবে দেখে জমি মেপে শারমিন জাহানের জায়গায় আমরা পিলার বসিয়ে দেই। উভয়পক্ষ সিদ্ধান্ত মেনে নেয়। এই বছর প্রতিপক্ষরা শারমিন জাহানের জায়গায় অন্যায় ভাবে ধানের বীজ রোপন করেছে।

এ বিষয়ে প্রতিপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
শারমিন জাহান প্রবাসে থাকার কারণে তার পক্ষে তার ছোট বোন শরিফা আক্তার বাদী হয়ে বরগুনা সদর থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয়ে জমির প্রকৃত মালিক সুইজারল্যান্ড প্রবাসী শারমিন জাহান বলেন,আমি থানায় অভিযোগ করেছিলাম। থানা থেকে শালিস মেনে সকল দলিলপত্র দেখে, জমি মাপ দিয়ে, পিলার দেয়া হইছে। অথচ তা না মেনে আমার জমি তারা চাষ করে রোপন করছে। ঐ শালিসিতে বারেক ভাই, মিলন মেম্বার, মোকলেস কাজী, ফোরম‍্যান খালেক মাস্টার ছিল। শালিসদাররা সাথে থেকে পিলার বসিয়ে আমার জমির সীমানা দিয়ে দিয়েছে। আমি প্রবাসে থাকার কারণে জোরপূর্বক আমার জমিতে বীজ রোপন করেছে।আমার জমি তালতলী মৌজায় এসে ২৯৩, দাগ নাম্বার ৭২৫, ৭২৮, ৭৩১, ৭৩২। আমি এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইয়াকুব হোসাইন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Facebook Comments Box
  • Untitled post 14630
  • Untitled post 14225
  • Untitled post 11155
  • Untitled post 14630
  • Untitled post 14225