
এমএইচ কিসলু
ভাবী হত্যার সাজা ভোগ করে কারাগার থেকে বের হয়ে আপন ভাতিজি নাহিল আক্তার তান্নুকে (৬) নৃশংস ভাবে পিটিয়ে হত্যা করে চাচা হাবিব। মঙ্গলবার বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ঈদুপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিশু তান্নু স্থানীয় দুলাল খানের মেয়ে ও লাউপাড়া আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেনের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী।
জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে চাচা হাবিব খান হাবিল (২৭) গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে শিশু তান্নুকে। প্রথমে মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয়রা তান্নুকে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তবে বরিশাল যাওয়ার পথেই শিশুটির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অভিযুক্ত হাবিল খান শিশু তান্নুর বাবা দুলাল খানের ছোট ভাই।
পরিবার সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য জানা গেছে, ২০১৫ সালে দুলাল খানের প্রথম স্ত্রী তানিয়া আক্তারকে (৩০) জবাই করে হত্যা করেন ছোট ভাই হাবিল খান। সেই ঘটনায় সাত বছর সাজা ভোগের পর সম্প্রতি মুক্তি পান তিনি। মুক্তির পর থেকেই এলাকায় দিনমজুরের কাজ করছিলেন। তান্নুর বাবা দুলাল খান বলেন, ১০ বছর আগে আমার স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা করে হাবিল। পরে আমি দ্বিতীয় বিয়ে করি। আমার এই সংসারের একমাত্র কন্যাকেও হত্যা করেছে হাবিল। আমি খুনি হাবিলের ফাঁসি চাই। হাবিব যখন আমার স্ত্রীকে হত্যা করে তখন তার বয়স ছিল সাড়ে ১৭ বছর। যার কারনে শিশু আইনে হাবিলের শাস্তি হয় ১০ বছর।
তালতলী থানার ওসি শাহজালাল মিয়া বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত হাবিল খানকে আটক করেছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে।






