,

বরগুনায় হাফেজা পড়ুয়া মেয়েকে অপহরণ; ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

 

এমএইচ কিসলু
হাফেজা পড়ুয়া নাবালিকা মেয়েকে অপহরণ করে ধর্ষণ করার অভিযোগে দুইজনের বিরুদ্ধে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বৃহস্পতিবার মামলা করেছে মেয়ের বাবা। ওই ট্রাইব্যুনালে বিচারক ও জেলা জজ লায়লাতুল ফেরদৌস মামলাটি গ্রহন করে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এজাহার ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আসামীরা হলো বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার নাচনাপাড়া গ্রামের মো: কামাল হোসেনের ছেলে মোঃ শিমুল (২৫) ও তার বন্ধু মোঃ রুহুল আমিন খাঁ (৩০)। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশেষ পিপি রনজুয়ারা সিপু।

জানা যায়, একই গ্রামের হাফেজা পড়ুয়া ১৬ বছরের মেয়েটি স্থানীয় একটি হেফজ খানায় পড়াশুনা করে। আসামী শিমুল মেয়েটিকে মাদ্রাসায় যাওয়া আসার পথে নিয়মিত উত্ত্যক্ত করে। প্রেম করার প্রস্তাব দেয়। মেয়েটি প্রেমে রাজি না হয়ে তার মা বাবার কাছে বলে দেয়। মেয়েটি বাবা শিমুলের বাবার কাছে অভিযোগ দিয়ে শিমুলকে নিভৃত থাকতে বলেন। এতে শিমুল অপমান বোধ করে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করে। মেয়েটি নিত্যদিনের মত ২১ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল অনুমান সাড়ে ৯ টার সময় বাদীর বাড়ীর সামনে দিয়ে মাদ্রাসায় যাবার পথে শিমুল ও তার বন্ধু রুহুল আমিন পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মোটরসাইকেলে তুলে খুনের ভয় দেখিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এসময় জনৈক চুন্নু মোল্লা দেখে মেয়ের বাবাকে জানায়।

মেয়ের বাবা বলেন, আমার নাবালিকা মেয়েকে শিমুল ও রুহুল আমিন জোর করে অপহরণ করে নিয়েছে। তিন হলো কোনো খোঁজ পাইনি। শিমুলের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাইনি। আমার বিশ্বাস আসামী শিমুল আমার মেয়েকে কোথাও গোপন স্থানে আটক রেখে জোর করে ধর্ষণ করেছে। আমার মেয়ে বেঁচে আছে কিনা তাও জানি না। আমি নিরুপায় হয়ে ২২ অক্টোবর আমতলী থানায় মামলা করতে যাই। থানা মামলা না নিয়ে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। আসামীদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেওয়ান জগলুল হাসান তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ব্যাপারে থানায় কেহ মামলা করতে আসেনি। কেহ মামলা করতে আসলে অবশ্যই মামলা নিতাম। তারপরও আদালতের আদেশ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

Facebook Comments Box
  • Untitled post 14630
  • Untitled post 14225
  • Untitled post 11155
  • Untitled post 14630
  • Untitled post 14225