
এমএইচ কিসলু
এসএসসি পরীক্ষার্থীকে চার আগে অপহরণ করার পরে কোথাও না পেয়ে ৬ জনের বিরুদ্ধে বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্কুল ছাত্রীর মা বাদি হয়ে মামলা করেন। রোববার ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ লায়লাতুল ফেরদৌস মামলাটি গ্রহন করে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এজাহার ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশেষ পিপি রনজুয়ারা সিপু।
জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষা শেষে স্কুল ছাত্রীর মা তার নাবালিকা মেয়েকে নিয়ে তার বাবার বাড়ি বরগুনা জেলার বামনা উপজেলায় গুদিঘাটা বেড়াতে যায়। বাবার বাড়ী থেকে ২২ জুন সকাল ১০ টার দিকে স্কুল ছাত্রী স্থানীয় ডৌয়াতলা বাজারে যাবার পথে বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার বড় গুদিঘাটা কাকচিড়া গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে ফেরদৌস অপূর্ব (২১) ও তার তিন বন্ধু অপহরণ করে নিয়ে যায়।
বাদি বলেন, আমার মেয়ে এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। মেয়েকে নিয়ে আমার বাবার বাড়ি ২০ জুন বেড়াতে যাই। আসামী অপূর্ব ও তার বন্ধুরা আমার মেয়েকে খুনের ভয় দেখিয়ে অপহরণ করে। আমি বিভিন্ন স্থানে খুঁজে না পেয়ে অপূর্বের বাবা কামাল হোসেন, মা নুরুন নাহার বেগম, বোন মোসাঃ সুমনা, আত্মীয় মোঃ রুবেল ও ছগির পহলানের বাড়িতে গিয়ে আমার মেয়েকে ফেরৎ চেয়েছি। তারা আমাকে বলে কিছু দিনের মধ্যে আপনার মেয়েকে ফেরৎ দিব। তারা আমার মেয়েকে ফেরৎ দেয়নি। এ কারনে আমি তাদের আসামী দিয়েছি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আসামী অপূর্ব আমার মেয়েকে কোথাও আটক রেখে ধর্ষণ করেছে। এমনও হতে পারে মেয়েকে হত্যা করে তার লাশ গোপন করেছে। বিদেশেও পাচার করতে পারে। আসামী অপূর্বের সঙ্গে বাদির মেয়ের সঙ্গে প্রেম ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয় আমি জানি না।
আসামী অপূর্ব ও তার বাবার ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা যায়নি।






