এমএইচ কিসলু
অস্টম শ্রেণির স্কুল ছাত্রী বিয়েতে রাজি না হওয়ায় অপহরণ করেছে রনি নামের এক যুবক। তিনদিনে ছাত্রীর খোঁজ না পেয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছে ভুক্তভোগীর বাবা। বৃহস্পতিবার ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ লায়লাতুল ফেরদৌস মামলাটি গ্রহন করে বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এজাহার ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধান আসামী হলো বরগুনা সদর উপজেলার সোনাখালী গ্রামের মোঃ ফারুক মৃধার ছেলে মো: রনি (২০)। রনির মা মোসাঃ শারমিন ও বোন নাজমা বেগম।
জানা যায়, বাদি বরগুনা পৌরসভায় বসবাস করেন। তার ১৩ বছরের নাবালিকা মেয়ে বরগুনা পৌরসভার একটি স্কুলে অস্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। রনি মেয়েটিকে পথে ঘাটে উত্ত্যক্ত করে। বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। মেয়েটি তার মা বাবার নিকট বলে দেয়। মেয়েটির মা বাবা রনির মা ও বোনের নিকট অভিযোগ দেয়। এতে রনি প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে উঠে।
বাদি বলেন, আমার মেয়ে নিত্য দিনের মত ২৮ অক্টোবর সকাল ৯ টায় বাড়ি থেকে স্কুলে রওনা দিয়ে যায়।পরবর্তীতে বাসায় ফিরে না আসলে আমি স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে আমার মেয়ের সন্ধান জানতে চাই। তিনি জানান আমার মেয়ে স্কুলে আসেনি। পরে রনির বাড়িত গিয়ে তাকেও পাইনি। রনির মা ও বোন বলে আপনার মেয়েকে যদি রনি নিয়ে থাকে তাহলে আমরা মেয়েকে ফেরৎ দেব। রনির মা বোন আমার নাবালিকা মেয়েকে তিনদিনেও ফেরৎ দেয়নি। আমি কামাল মৃধার মাধ্যমে জানতে পেরেছি আমার মেয়ে স্কুলে যাবার পথে মাইঠা নামক স্থানে পৌছলে রনি ও তার কয়েকজন বন্ধু আমার মেয়েকে খুনের ভয় দেখিয়ে মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। মেয়ের বাবা আরও বলেন, আমার ধারণা রনি আমার মেয়েকে কোথাও আটক রেখে ধর্ষণ করতে পারে। আমার বেঁচে আছে কিনা তাও জানি না। রনির ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা যায়নি।






