
এমএইচ কিসলু, বরগুনাঃ
প্রতিবন্ধী স্ত্রী স্বামীর দাবীকৃত দুই লাখ টাকা যৌতুক দিতে না পারায় নির্যাতনের অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হওয়ায় স্বামীকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার দুপুরে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ লায়লাতুল ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন।
দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণ জ্ঞানপাড়া গ্রামের হোসেন মোল্লার ছেলে মোঃ মাইন উদ্দিন মোল্লা (৩০)। এ তথ্য নিশ্চিত করেন পিপি রনজুয়ারা সিপু।
জানা যায়, আসামী ও বাদির বাড়ি একই গ্রামে। বাদি ওই ট্রাইব্যুনালে ২০২৩ সালের ৭ মে আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তিনি শারিরীক প্রতিবন্ধী জেনেও গত ২০২২ সালের ২০ মার্চ আসামী বাদিকে রেজিস্ট্রী কাবিনে বিয়ে করেন। বিয়ের পরে বাদি বাবার বাড়ি থাকতেন। আসামী ব্যবসা করার জন্য বাদি ও তার পরিবারের নিকট ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছেন। এরই মধ্যে বাদি ৪ অন্তঃসত্ত্বা হন। বিগত ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল সকাল অনুমান ১০ টায় বাদির বাবার ঘরে বসে বাদির নিকট পূর্বের ন্যায় আসামী ব্যবসা করার জন্য ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবী করেন। বাদি ও তার পরিবার যৌতুক দিতে অস্বীকার করে। এতে আসামী উত্তেজিত হয়ে বাদিকে মারধর করে চলে যায়।
বাদি বলেন, স্বামীর নির্যাতনে আমি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হই। ওই সময় আমার স্বামী কোনো খোঁজ রাখেনি। আমি শারিরীক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগে আমার স্বামী পরনারীতে আসক্ত হয়। তারপরও আমি স্বামীর সংসার করতে চেয়েছি। আমার স্বামী মামলা হওয়ার পর আমার খোঁজ রাখেনি। এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট। এখনো আমার স্বামী আমাকে নিলে আমি যাব।
আসামী পলাতক থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।






