হাফিজ খান, স্টাফ রিপোর্টারঃ
বরগুনায় অধ্যক্ষর প্রতারণার ফাঁদে দুইজন দাখিল পরীক্ষার্থী। পরীক্ষার হলে গিয়ে, পরীক্ষা দিতে পারলো না, তানভীর ও ছালছাবিল। তাদের জীবন থেকে ঝরে গেল একটি বছর। বিচারের দাবি সচেতন মহলে। এ দায়ভার কে নিবে? এ নিয়ে চঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে বেতাগী উপজেলায়।
বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নে ছোপখালি জহুর উদ্দিন হাওলাদার ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কাহার সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে দাখিল পরীক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া যায়।
কমিটির সদস্য ও স্থানীয়রা,বলেন জলিসা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর ১৪ জন(২০২৬) অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক রুহুল আমিনের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকার বিনিময় একই দিনে রেজিস্ট্রেশন ও ফরম ফিলাপ করান অধ্যক্ষ। তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের জীবন থেকে যে একটা বছর শেষ হয়ে গেল এর দায়ভার এখন কে নিবে? প্রিন্সিপাল আমাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার সময় বলেছে তোমরা শুধু পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবা পাস আমি করিয়ে দেব। তুমি শুধু হলে যাবা আর কিছু লাগবে না।
এদিকে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, মোহাম্মদ আবুল কাহার সিদ্দিকী প্রতারণার কথা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে।
প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সভাপতি, সজল চন্দ্রশীল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানলাম তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।








Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.