বরগুনা প্রতিনিধি:
বরগুনায় এক কোটি টাকা চাঁদা দাবীর মামলায় গ্রেপ্তার দৈনিক কালবেলার বরগুনা প্রতিনিধি আসাদ সবুজকে হাত পেছনে নিয়ে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে আদালতে নেওয়ার ঘটনায় পুলিশের এক উপপরিদর্শককে (এসআই) পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এসআই হারুন অর রশিদ এর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তাঁকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
গত ১ অক্টোবর রাতে বরগুনা সদরের ভুতমারা এলাকার নিজ বাসার সামনে থেকে আসাদ সবুজকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরদিন তাঁকে বরগুনার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।
আদালতে নেওয়ার সময় তাঁর দুই হাত পেছনে নিয়ে হ্যান্ডকাফ পরানো ছিল। ওই ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের এই কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়। কেন চাঁদাবাজি মামলার আসামি এক জন সাংবাদিক কে এভাবে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে আদালতে নেয়ার প্রয়োজন হল তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে।
এর আগে পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁর দুইবার ডোপ টেস্টও করানো হয়। যদিও মামলার এজাহারে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত কোনো অভিযোগ নেই এবং ডোপ টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ আসে। এ বিষয়টি নিয়েও পুলিশের নিরপেক্ষতার বিষয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
হ্যান্ডকাফ পরানো ও পুলিশের আচরণ নিয়ে অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন বরগুনা জেলা পুলিশ। কমিটিকে ৩ থেকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার কুদরত-ই-খুদা বলেন, এসআই হারুন অর রশিদকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা ও দায় প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.