*এমএইচ কিসলু*
তালাক গোপন রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছে ভুক্তভোগী এক নারী। রোববার ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ লায়লাতুল ফেরদৌস বাদির অভিযোগ গ্রহন বরগুনার গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইন চার্জকে ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। আসামী হলো বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার পূর্ব সফিপুর গ্রামের মোঃ মজিবুর রহমানের ছেলে মোঃ আসাদুজ্জামান অপু (২৬) অপুর মা
তাজনেহার বেগম (৫৫) বাবা মোঃ মজিবুর রহমান। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশেষ পিপি রনজুয়ারা সিপু।
মামলা সূত্রে জানা যায়, একই উপজেলার ভুক্তভোগী বাদি ওই ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন, আসামী অপুর সঙ্গে বাদির এ বছরের ৭ মার্চ রেজিস্ট্রি কাবিনে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসার ভালো চলছিল। হঠাৎ করে আসামী অপু এ মাসের ২ নভেম্বর বাদির ফোনের মেসেঞ্জারে তালাকের একটি কপি পাঠায়।
বাদি বলেন, অপুর সঙ্গে এ বছরের ২৩ অক্টোবর হতে ২৫ অক্টোবর একত্রে স্বামী স্ত্রী হিসাবে ঢাকা বরিশাল থাকি। এ ছাড়া নভেম্বর মাসের ১ তারিখ রাতে অপু আমার বাবার বাড়িতে আসেন। একরাত থাকার পরে অপু চলে যায়। বাদি আরও বলেন, অপু আমাকে যে তালাকের নোটিশ পাঠায় সেই নোটিশে দেখা যায় এ বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর আমাকে তালাক দিয়েছেন। অথচ ২৩ অক্টোবর হতে ১ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় অপু তালাক গোপন রেখে আমাকে ধর্ষণ করে ২ নভেম্বর রাতে আমার ফোনের মেসেঞ্জারে তালাকের নোটিশ পাঠিয়ে দেয়। তখন জানতে পারি অপু আমাকে এ বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর তালাক দিয়েছেন। আমি জানতাম অপু আমার স্বামী। অপু জানতেন আমি তার স্ত্রী নই। তারপরও অপু তালাক গোপন রেখে প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে আমাকে একাধিক বার ধর্ষণ করেছে। অপুর মা বাবার কাছে গেলে তারা আমাকে পাত্তা দেইনি। বিষয়টি তারাও জেনে অপুকে সহযোগিতা করেছেন।
অপুর ফোন বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।






