নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ মোতওয়াল্লী ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ ওয়াকফাহ এস্টেট মোতয়াল্লী ফাউন্ডেশন’সহ বিভিন্ন সংগঠনের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে কাজী বেলাল আহমেদ খানের বিরুদ্ধে। নিজেকে ওই সংগঠনের সভাপতি পরিচয় দিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহলে অর্থ দাবি ও সংগ্রহ করে আসছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগকারীদের দাবি, কাজী বেলাল আহমেদ খানের এমন কর্মকাণ্ডে মূল ও প্রকৃত ওয়াকফ প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মোতওয়াল্লীদের মধ্যে তীব্র বিভ্রান্তি ও চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর কথিত এই সংগঠনের আদৌ কোনো সরকারি নিবন্ধন, সাংগঠনিক বৈধতা কিংবা অর্থ সংগ্রহের আইনানুগ অনুমোদন রয়েছে কি না তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, নিজেকে একটি কথিত ফাউন্ডেশনের সভাপতি হিসেবে দাবি করা কাজী বেলাল আহমেদ খানের বাড়ি কুমিল্লায়। তবে কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, সরকারি নিবন্ধন বা সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি সভাপতি পদ আঁকড়ে আছেন তা নিয়ে ধোঁয়াজাল তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল অবিলম্বে তাঁর সভাপতির পদবিসংক্রান্ত বৈধ নথিপত্র জনসম্মুখে প্রকাশের জোর দাবি জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট আইন ও নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো সামাজিক বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা ফাউন্ডেশনের নামে জনসাধারণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের অনুমোদন, অনুমোদিত ব্যাংক হিসাব, আর্থিক লেনদেনের সঠিক রসিদ এবং অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু কাজী বেলাল আহমেদ খানের চালিয়ে আসা এই অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে এসব আইনি প্রক্রিয়ার তোয়াক্কা করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। কাজী বেলাল আহমেদ খানের রাজধানীর শান্তিনগরস্থ ‘বাংলাদেশ মোতওয়াল্লী ফাউন্ডেশন’ এর অফিসে গেলে অফিসে তালাবদ্ধ দেখা যায়।
উদ্বেগ প্রকাশ করে সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট সরকারি তদারকি কর্তৃপক্ষের কাছে সংগঠনটির নিবন্ধন ও কার্যক্রমের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত, অর্থ আদায়ের বৈধতা পরীক্ষা এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
কথিত সভাপতি কাজী বেলাল আহমেদ খানের আসল পরিচয়, সংগঠনটির আইনি নিবন্ধন, গঠনতন্ত্র, ব্যাংক হিসাব ও অর্থ সংগ্রহের রসিদ খতিয়ে দেখার জন্য সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।








Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.