বরগুনার বেতাগীতে মাদ্রাসার শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বরগুনার বেতাগী উপজেলার করুনা হাসানিয়া আলিম মাদ্রাসার ০৩ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন দৈনিক পুনরুত্থান পত্রিকার বরগুনা জেলা প্রতিনিধি মোঃ হাফিজুর রহমান খান।
এ বিষয়ে বরগুনার জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেছেন তিনি। আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্রের কপিও সংযুক্ত করা হয়েছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দৈনিক পুনরুত্থান পত্রিকায় শিক্ষক নাকি পল্লী চিকিৎসক, দুই পেশায় একই ব্যক্তি, অধ্যক্ষ সহ তিন শিক্ষক নিয়মিত অনুপস্থিত, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদে মাদ্রাসাটির সহকারী শিক্ষক মোঃ আরিফুর রহমান ফেরদৌসের বিরুদ্ধে শিক্ষকতার পাশাপাশি মোকামিয়া বাজারে চেম্বার খুলে পল্লী চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ তুলে ধরা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি নিয়মিত মাদ্রাসায় উপস্থিত না থেকেও চেম্বারে রোগী দেখেন, ফলে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
এ ছাড়া আবেদনে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আহসান উল্লাহ ও করণিক মাওলানা মো. শাহ আলমের নিয়মিত অনুপস্থিতি এবং ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। করণিক মো. শাহ আলমের পরিবর্তে তাঁর ছেলে মো. বেলাল হোসেনকে দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণিতে পাঠদান করানোর অভিযোগও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আবেদনকারী আরও দাবি করেন, মাদ্রাসায় নারী শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করায় বহিরাগত ব্যক্তিদের দিয়ে পাঠদান করানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শুধু শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়েই নয়, প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান নিয়েও দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষায় এ মাদ্রাসা থেকে অংশ নেওয়া একজন শিক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এমন ফলাফলের পেছনে শিক্ষার পরিবেশ, পাঠদান কার্যক্রম ও প্রশাসনিক তদারকির ঘাটতি রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।








Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.