
এমএইচ কিসলু, বরগুনাঃ
বাংলাদেশে তৃণমূল জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে জলবায়ূ সুশাসন শক্তিশালীকরণ এসসিজিজিপি প্রকল্পের আওতায় ক্লাইমেট ফাইন্যান্স ইন্টিগ্রিটি ট্রেনিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে বরগুনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের জন্য ক্লাইমেট ফাইন্যান্স ও ইন্টিগ্রিটি বিষয়ক ট্রেনিং অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণে ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়েব ফাউন্ডেশনের এসসিজিজিপি প্রকল্পের বরগুনা সদরের প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ মাজহারুল ইসলাম এবং কমিউনিটি মোবিলাইজেশন অফিসার মনিরুল ইসলাম।
জানা যায়, প্রশিক্ষনে ক্লাইমেট ফাইন্যান্সের উৎস, ব্যয়, অনিয়ম ও জবাবদিহিতা সাংবাদিকদের মাধ্যমে সঠিক ভাবে প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হয়। প্রশিক্ষণে আলোচনা করা হয়, জলবায়ু প্রকল্পের জন্য বরাদ্দের কোটি কোটি টাকার হিসাব কোথায় যাচ্ছে। তা কিভাবে সংরক্ষণ করা হয়। সাংবাদিকদের জন্য মিডিয়ার মাধ্যমে জনসমক্ষে প্রকাশ করা কতটা জরুরী। বাজেট বিশ্লেষণ, অনিয়ম ও ঝুঁকি কোথায় হতে পারে। কিভাবে সাংবাদিকরা ফাইন্যান্স মনিটরিং করবেন। সরকারি রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে স্থানীয় জনগণের মতামত সংগ্রহ করবেন এবং বাজেট বনাম বাস্তব কাজের পার্থক্য খুঁজে বের করবেন। এসব বিষয়েও আলোচকরা আলোচনা করেন।
প্রশিক্ষণের অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরগুনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মোঃ সালেহ। দৈনিক দ্বীপাঞ্চলের সম্পাদক মোশাররফ হোসেন। প্রশিক্ষণের আয়োজন করে ওয়েব ফাউন্ডেশন। যা গ্রীন একান্টিবিটি ওয়েলফেয়ার এবং ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউটের সহায়তায় অনুষ্ঠিত হয়। বরগুনা জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকগণ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।
প্রকল্পের কর্ম এলাকা হলো বরগুনা জেলার সদর উপজেলার আটটি ইউনিয়ন। বেতাগী উপজেলার আটটি ইউনিয়ন। পটুয়াখালী জেলার সদর উপজেলার আটটি ইউনিয়ন ও কলাপাড়া উপজেলার আটটি ইউনিয়ন।
এই প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে, জলবায়ূ সুশাসন শক্তিশালীকরণে সঙ্ঘবদ্ধ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সংশ্লিষ্ট সরকারী দপ্তরগুলোর জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধির জন্য সামাজিক নিরীক্ষায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে। এছাড়া স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে বৃহত্তর জনগণের কাছে জলবায়ূ সুশাসন বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।
ওয়েব ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ও কর্মকর্তারা প্রাসঙ্গিক সরকারী সেবা প্রদান এবং জলবায়ু কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে আরও সংবেদনশীল, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল ভাবে। এছাড়া, দুর্যোগ প্রস্তুতি, প্রশমন, জরুরী ব্যবস্থা এবং পুনর্বাসন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো তাদের ভূমিকা ও দায়িত্ব পালন করবে।






