,

বিএনপি নেতার কাছে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে হেনস্তার স্বীকার

মো: সানাউল্লাহ, বরগুনাঃ

বরগুনায় এক বিএনপি নেতার কাছে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে হেনস্তার স্বীকার হয়েছেন মোঃ কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি। কামাল হোসেন বরগুনার বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের চলাভাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ লতিফ খানের পুত্র। পড়নে ছেড়ে কাপড় পরিহিত অবস্থায় এক ভিডিওতে তিনি এমন অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ডৌয়াতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও একই ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আবু সালেহ হাওলাদারের কাছে ইট, ইলিশ মাছ ও ধান বিক্রির পাওনা ৯৮ হাজার টাকা চাইতে গিয়ে তিনি হেনস্তার স্বীকার হন। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ছয় মাস পর্যন্ত টাকা না দিয়ে ঘুরাচ্ছিল। পরে শুক্রবার (২৯ আগষ্ট) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ডৌয়াতলা ইউনিয়ন পরিষদে তাকে পেয়ে টাকা চাইতে গেলে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়।

এ বিষয়ে অভিযোগকারীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ডৌয়াতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও একই ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আবু সালেহ হাওলাদার আমার নিকট থেকে ৬ হাজার ইট, ২৫ হাজার টাকার ধান ও ২০ হাজার টাকার ইলিশ মাছ নেয় বাকিতে। সেই বকেয়া ৯৮ হাজার টাকা ৫-৬ মাস যাবৎ আজ কাল দিবে বলে ঘুরাইতে থাকে। বিষয়টি আমি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ রাশেদ খান মামুনকেও একাধিকবার জানাই। ঘটনার আগের দিন টাকা দেয়ার কথা থাকলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই। পরে ঘটনার দিন ইউনিয়ন পরিষদে তাকে পেয়ে টাকা চাইতে গেলে তিনি টাকার কথা অস্বীকার করে আমার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। ঘটনার বিষয় অভিযোগ করতে থানায় গিয়েছিলাম। ওসিকে ঘটনার বিষয় বলেছি। পরে বিএনপির উপজেলা পর্যায়ের নেতারা এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন। তাই লিখিত অভিযোগ করিনি।

ঘটনার বিষয় অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ডৌয়াতলা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আবু সালেহ হাওলাদারের নিকট জানতে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

তবে এ বিষয়ে ডৌয়াতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ রাশেদ খান মামুন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কামাল টাকা পাবে এ বিষয়ে আমাকে বলেছে। আমি আবু সালেহকে টাকা ফেরত দিতেও বলেছি। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসার কাজে ঢাকায় আছি। হেনস্তার বিষয় স্থানীয় অনেকে আমাকে মুঠোফোনে জানিয়েছে। এটা ঠিক হয়নি। তবে তিনি বিষয়টি সমাধান করবেন বলেও জানান।

ঘটনার বিষয় বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হারুন অর-রশিদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনার বিষয় মৌখিক শুনেছি। এখনও কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা নিব।

Facebook Comments Box
  • Untitled post 14630
  • Untitled post 14225
  • Untitled post 11155
  • Untitled post 14630
  • Untitled post 14225