
এমএইচ কিসলু
কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে গলা টিপে হত্যা ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগে দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভুক্তভোগী গৃহবধূ।
সোমবার বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ লায়লাতুল ফেরদৌস মামলাটি গ্রহন করে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এজাহার ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আসামীরা হলো বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার আলীর বন্দর গ্রামের আঃ বারেকের ছেলে মোঃ রাসেল (২৭) ও তার সহযোগী মোঃ সাইফুল (২২)।
জানা যায়, আসামীরা ভুক্তভোগী গৃহবধূর দেবর। গৃহবধুর স্বামী মালেশিয়া চাকরিতে আছেন। সেই সুযোগে আসামী রাসেল তার ভাবীকে বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করতে থাকে। গৃহবধূ নিষেধ করলে উত্যক্তের মাত্রা রাসেল বাড়িয়ে দেয়।
১১ অক্টোবর শনিবার সকাল অনুমান সাড়ে পাঁচটার সময় ঘরের দরজা খুলে গৃহবধূ বাহিরে বাথরুমে যায়। এ সুযোগে ওতপেতে থাকা আসামী রাসেল খোলা দরজা দিয়ে ঘরে ঢুকে লুকিয়ে থাকে। গৃহবধূ ঘরে প্রবেশ করা মাত্র আসামী রাসেল মুখ চেপে ভাবীকে ধর্ষণের চেস্টা করে।
গৃহবধূ বলেন, আমি ধর্ষণে বাঁধা দিলে রাসেল আমার শরীরের কাপড় খুলে ফেলে। আমি ইজ্জত রক্ষা করার জন্য জোরে ডাক চিৎকার দেই। এ সময় আসামী সাইফুল আমার ঘরে ঢুকে আমাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে মারাত্মক আহত করে। রাসেল আমার তলপেটে লাথি মারে। সাইফুল আমার গলাটিপে হত্যা করার চেস্টা করে। রাসেল নাক মুখ চেয়ে হত্যার চেস্টা করে। আমার ডাক চিৎকারে তিনজন প্রতিবেশি আমার ঘরে আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়। তালতলী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে মামলা করি।
আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা যায়নি।

