বিশেষ প্রতিবেদক
বরগুনা জেলার দলীয় কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে এনসিপির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় বরগুনা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি বলেন, জামায়াত ইসলামি কোনো ইসলামি রাজনৈতিক দল না। জামায়াত ইসলামী ইসলামী দল কিনা আমি তা জানি না। বরগুনা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপি সমন্বয় সভা শেষে বরগুনার সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং কালে একথা বলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে দেশ কোনো সঙ্কটে পড়তে যাচ্ছে কিনা। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দূরত্ব তৈরী হচ্ছে কিনা। সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোন দূরত্ব তৈরি হয়নি। প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গা নিয়েছে। কিছু দল সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কিছুদল সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এই অবস্থায় দৃশ্যত দেখা যাচ্ছে বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি দলে ভাগ হয়েছে। সংস্কারের পক্ষে যারা আছে তাদের মনে হয় সংস্কারের কাছাকাছি অবস্থানে আছে। আর যারা বিপক্ষে অবস্থান আছে তাদের মনে হয় সংস্কারের পক্ষ থেকে চলে গেছে।
শনিবার সকাল ১১ টায় বরগুনা এনসিপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রধান অতিথি হিসেবে সমন্বয় সভা করেন এনিসিপি দক্ষিনাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বিভাগীয় যুগ্ম সচিব ফয়সাল মাহমুদ শান্ত।
সাংবাদিকদের ব্রিফিং কালে হাসনাত আব্দুল্লাহ জুলাই সনদ নিয়ে বলেন, আমরা বারবার বলে আসছি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে হবে জুলাই সনদ দেখে। আমরা দেখে স্বাক্ষর করতে চেয়েছি অথচ বিএনপির সনদ না দেখে কেনো স্বাক্ষর করেছে। আমরা আগেই বলেছি জুলাই সনদ আগে আমাদেরকে দেখাতে হবে। কে ঘোষণা করবে সেটা নিশ্চিত না হয়ে আমরা স্বাক্ষর করবো না। তাই আমরা স্বাক্ষর করিনি। তখন আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে দোষারোপ করা হয়েছে। আমরা সংস্কার প্রক্রিয়াকে পিছিয়ে দিতেছি। বাস্তবে তারাই এখন এই অবস্থানে আছে। জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনা একটা পর্যায়ে আসছে। কিন্তু বাস্তবের প্রক্রিয়ায় কেউ বলেছে পরবর্তী সংসদে বাস্তবায়ন করতে হবে। কেউ বলছে গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া করতে হবে। আমরা বলেছি গণভোট কিংবা গণপরিষদ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আগামী সংসদে দুটি স্ট্যাটাস দিতে হবে। একই সাথে গণপরিষদ দিতে হবে এবং রুটিন পার্লামেন্ট যে সকল একটিভিটির মধ্যে চলবে। মূলত সংকটের জায়গাটি হচ্ছে এটি। তিনি বলেন, আদেশ জারি না হওয়ার বিষয়ে আলোচনা হওয়া উচিত ছিল। আসলে সেটা হচ্ছে না। এটি অধ্যাদেশ জারি করা যাবে না। তেমনি প্রজ্ঞাপন ও জারি করা যাবে না। শুধুমাত্র আদেশ জারি করতে হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে এই আদেশ জারি করবে ড. মোহাম্মদ ইউনুস।
আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এনপিপির শাপলা প্রতীক নিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, শাপলা নিয়ে আমরা শুরুতেই বলেছি নির্বাচন কমিশনের কোনো নীতিমালা নেই। আমরা নির্বাচন কমিশনকে দেখেছি ব্যক্তি সর্বস্ব স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত নিতে। আমাদের চাওয়া শাপলা প্রতীকের বিপরীতে শাপলা কলি প্রতীক তালিকায় অন্তর্ভুক্তি করেছে কোন নীতি মালায়। আমরা কেনো শাপলা কলি প্রতিক নেব।






