বিশেষ প্রতিনিধি:
গত ১৩ ডিসেম্বর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে সায়মা অনিকা অর্জন করেছেন মর্যাদাপূর্ণ এশিয়ান এক্সিলেন্স এচিভার্স অ্যাওয়ার্ড। তার এই সাফল্য কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নারীদের নেতৃত্ব, সক্ষমতা ও সম্ভাবনার এক গর্বিত স্বীকৃতি। সাউথ এশিয়ান বিজনেস পার্টনারশিপ- এর উদ্যোগে নেপালের কাঠমান্ডুর হোটেল জি রামায়ণে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তানের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কনফারেন্স ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন ব্রিটিশ আইন বিষয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি তরুণী সায়মা আনিকা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেপাল সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব বাবলু গুপ্তা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মাননীয় মন্ত্রী কুলমান ঘিসিং (জ্বালানি, নগর উন্নয়ন, পরিবহন ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, নেপাল), সেনেটর ও সাবেক মন্ত্রী একে নাথ ঢাকাল, সাবেক মন্ত্রী আনন্দ প্রসাদ পোখরেল, প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য তারা লামা তামাং এমপি, ইউএন-এর সিআরসি সহ-সভাপতি ড. রিনচেন চোপেল (ভুটান), ধুলিখেল পৌরসভার মেয়র অশোক ব্যাঞ্জু, এবং বাংলাদেশ থেকে মোঃ মাহফুজুর রহমান, সহকারী পুলিশ কমিশনার, সিএমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ গোলাম ফারুক মজনু, নির্বাহী পরিচালক, এশিয়ান বিজনেস পার্টনারশিপ সামিট।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার কার্যক্রম, নেতৃত্বগুণ এবং সামাজিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সায়মা আনিকাকে এশিয়ান এক্সিলেন্স এচিভার্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। শিক্ষার পাশাপাশি সায়মা আনিকা একজন সক্রিয় সমাজসেবী ও উদ্যোক্তা। তিনি নিয়মিত বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন এবং তার উদ্যোক্তা কার্যক্রমের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছেন। পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তার লেখা প্রবন্ধ সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সায়মা আনিকা বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার যাত্রামুড়ার সন্তান। তার পিতা কাইয়ুম খান এবং মাতা সাদিয়া খান। একজন বাংলাদেশি নারী হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তার এই সাফল্য দেশবাসী ও বিশেষ করে নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।
প্রসঙ্গত, সায়মা আনিকার এই অর্জন নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের নারীদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্ব ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিফলিত হলো।






