বরগুনা জেলা প্রতিনিধি:
মেধা ও শিক্ষার উৎকর্ষকে উৎসাহিত করতে বরগুনার গৌরীচন্না হাই সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ম্যানেজিং কমিটির উদ্যোগে ২০২৫ ও ২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল হক মাস্টার। তিনি বলেন, আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের আলোকিত বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। তাদের মেধার যথাযথ বিকাশে পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াসী মতিন। বরগুনা সদর উপজেলার সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রবীন্দ্রনাথ হাওলাদার এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম হোসেন।
অত্র বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত সভাপতি এ্যাড: আব্দুল ওয়াসী মতিন বলেন আজ আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের একটি দিন। ২০২৫ ও ২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত। এই অর্জন শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, তাদের অভিভাবক, শিক্ষক এবং আমাদের বিদ্যালয়েরও গৌরব। আমি বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাদের নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই আমাদের শিক্ষার্থীরা আজ এই সম্মান অর্জন করেছে। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও ধন্যবাদ জানাই, যারা সন্তানদের শিক্ষার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পাশে থেকেছেন। তাছাড়া বক্তব্য রেখেছেন অত্র বিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রধান শিক্ষক তিনি তার বক্তব্যে বলেন আজ আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত গর্বের দিন। ২০২৫ ও ২০২৬ সালের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা রয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা, তোমরা ভবিষ্যতেও সততা, শৃঙ্খলা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে আরও বড় সাফল্য অর্জন করে বিদ্যালয়, পরিবার ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলেন ২০২৫ ও ২০২৬ সালের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা। ট্যালেন্টপুল বৃত্তি অর্জন করে হুমায়রা আফিফা, জান্নাতুল ফেরদৌস, অনুষ্কা হালদার, অঙ্কিতা হালদার, অন্বেষা হালদার, অমিত ও আলিফ। সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি অর্জন করে আয়াদ, তাইয়েবা, সৃজনী ও সাবিত।
অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, এই সাফল্য শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, তাদের পরিবার, শিক্ষক ও বিদ্যালয়েরও গর্বের বিষয়। শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে আদর্শ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদ ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। করতালি ও শুভেচ্ছায় মুখরিত এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের নতুন স্বপ্ন ও অনুপ্রেরণা জোগানোর পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নের অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে।








Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.