কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় দুস্থদের জন্য ভিজিডি কর্মসূচিতে বিত্তবানদের নামে গোপনে কার্ড করে চাল আত্মসাৎ এর দায়ে ২৪শে নভেম্বর ইউপি চেয়ারম্যান জামিরুল ইসলাম বাবু জেল হাজতে প্রেরন।
গত ১৭ইং নভেম্বর কুষ্টিয়ার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী (দৌলতপুর) আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন রিফাইতপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে এবং ভুক্তভোগীর ভাই মোঃ মুন্না।
আদালত সূত্রে জানাযায়, দৌলতপুর উপজেলার ৯ নং রিফায়েতপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জামিরুল ইসলাম বাবু ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের ভিজিডি কার্ডের তালিকায় অনুমতি ছাড়া প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে শিতলাইপাড়া গ্রামের বিত্তশালী ব্যক্তি আঃ সামাদ এর স্ত্রী রুবিনা খাতুনের ভোটার আইডি কার্ড ব্যবহার করে ভিজিডি কার্ড তৈরি করেন এবং তাদের অজান্তে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। একইভাবে শিতলাইপাড়া গ্রামের আঃ সামাদ এর ছেলে সাদ্দাম হোসেন, রিফায়েতপুর গ্রামের মৃত মিনার আলীর ছেলে রেজাউল হক, মৃত আহাদ আলী ছেলে সাবান আলীর ভোটার আইডি কার্ড জাল করে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ভিজিডির চাল উত্তোলন করে আত্মাসাৎ করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
কুষ্টিয়ার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী (দৌলতপুর) আদালত তার আদেশে জানান, যেহেতু ইউপি চেয়ারম্যান জামিরুল ইসলাম বাবু প্রতারণা করে রুবিনা খাতুনের ভোটার আইডি কার্ড ব্যবহার করে ভিজিডি‘র কার্ড তৈরি করে প্রতিনিয়ত চাল উত্তোলন করেছে এবং চাল আত্মসাৎ এর অভিযোগে কুষ্টিয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী (দৌলতপুর) আদালতের আদেশে মিস ০৮/২০২০ মামলায়, ৪০৬/৪২০ ধারায় দৌলতপুর থানায় জি,আর ৫৩৩/২০২০ মামলা রজু হয়েছিল। উক্ত মামলায় কুষ্টিয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী (দৌলতপুর) আদালতে চেয়ারম্যান জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ বিচারক এনামুল হক জামিন না মঞ্জুর করে ইউপি চেয়ারম্যান জামিরুল ইসলাম বাবুকে জেল হাজতে প্রেরন করেন।







