বিশেষ প্রতিবেদন
বরগুনায় সড়ক মেরামত কাজে ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকার কাজে নিম্ম মানের ইট ব্যবহার করার অভিযোগ উঠছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি কর্তৃপক্ষের তদারকি না থাকায় নিম্ন মানের ইট দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
জানা গেছে, স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশলী অধিদপ্তরের অধীনে (জিওবিএম) মেরামত প্রকল্পের আওতায় বরগুনা সদর উপজেলার পড়িরখাল জিসি থেকে বাবুগঞ্জ জিসি পর্যন্ত অর্থাৎ ছোট বালিয়াতলী থেকে বিশ্বাস বাড়ি পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিলোমিটার সড়ক মেরামত কাজে দরপত্রের প্রাক্কলন অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। দরপত্র আহ্বানে সড়ক মেরামতের কাজ পান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইথান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী কাদের খান। তবে প্রাথমিক তথ্যমতে জানা গেছে, ঠিকাদারের অনুকূলে কাজ করছেন পটুয়াখালীর জনৈক সাংবাদিা জলিল আহমেদ। অভিযোগ রয়েছে তিনি সাংবাদিক এ কারনে বরগুনা এলজিইডি কর্তৃপক্ষ কাজ দেখভাল করছেন না। সাংবাদিক জলিল আহমেদ তার লোকজন দিয়ে নিম্ম মানের ইট দিয়ে কাজ শুরু করেছেন। বাকি কাজের মান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সড়কে নিম্নমানের উপকরণের বিষয়ে ঠিকাদারের প্রতিনিধি সাহাবুদ্দিন বলেন, অল্পকিছু মালে সমস্যা হয়েছে। হাতের পাঁচটা আঙুল তো সমান হয় না। ওই সাংবাদিক বলেন, লাখ লাখ ইটের মধ্যে কিছু ইট নিম্নমানের যেতে পারে। আমি কোনো অফিসে ক্ষমতা দেখাই না। কাজ করি কাজের বিল নেই।
স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর অবশেষে সড়ক মেরামতের কাজ হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আর ঠিকাদার নিম্ম মানের ইট দিয়ে কাজ করতেছে। এভাবে কাজ করলে ছয় মাসের মধ্যেই রাস্তা পুণরায় খানাখন্দে পরিণত হবে। এখনই কাজ বন্ধ করে দিয়ে ভালো মানের ইট দিয়ে কাজ করা এলাকা বাসির দাবী।
বরগুনা সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কোনোভাবেই অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ নেই। শতভাগ সঠিক ভাবে কাজ করতে হবে। ঠিকাদার নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করছে। এমন খবর পাওয়ার সাথে সাথে উপকরণ অপসারণ করা হয়েছে।






